মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বিস্তারিত

   
উপজেলা হিজলা
সীমানা ( যাহার উত্তরে শরিয়তপুর হাটুরিয়া , মেঘনা নদী এবং প্রাচীন ত্রিপুরা বর্তমানে কুমিল্লার অংশ চাদপুর , লক্ষীপুর , নোয়াখালীর লক্ষীপুর জেলা , পশ্চিমে মুলাদী ,দক্ষিনে মেহেন্দিগঞ্জ, পুর্বে-মেঘনা , দক্ষিনে শাহবাজপুর ( ভোলা) ও মেহেন্দিগঞ্জ থানা)
জেলা সদর হতে দূরত্ব ৫০ কি:মি:
আয়তন  ৫১৬.৩৬ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা ১,৮৭,৩২৯ জন (প্রায়)
 পুরুষ ৯৩,০৪১ জন (প্রায়)
 মহিলা৯৪,২৮৮ জন (প্রায়)
লোক সংখ্যার ঘনত্ব  (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)
মোট ভোটার সংখ্যা  ৮৯,৬৫২ জন
 পুরুষ ভোটার সংখ্যা৪৪,৯৭২ জন
 মহিলা ভোটার সংখ্যা ৪৪,৬৮০ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩০%
মোট পরিবার(খানা) ২২৯৭৩ টি
নির্বাচনী এলাকা ১২১/৪ হিজলা- মেহেন্দিগঞ্জ
গ্রাম ১২১ টি
মৌজা ১২১ টি
ইউনিয়ন ৬ টি
পৌরসভা নাই
এতিমখানা সরকারী নাই
এতিমখানা বে-সরকারী ৩ টি
মসজিদ  ৩৬২ টি
মন্দির ৯ টি
নদ-নদী ৪ টি (মেগনা,আরিয়ালখা, ধর্মগঞ্জ)
হাট-বাজার ২০ টি
ব্যাংক শাখা ৩ টি
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস ২ টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০১ টি
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প নাই
বৃহৎ শিল্প নাই

র্র্শ্রীরামাপুর পুলিশফাড়ি , অতপর বদরটুনী  থানা হিজলের প্রাচুর্যতায় সমৃদ্ধ হিজলা ইউনিয়নের স্থানান্তরিত হয় হিজলা নামে বর্তমান হিজলা থানা স্থাপিত হয় । হিজলা পুর্ব বাংলা আধিপত্য বিস্তারের সময় বাকেরগঞ্জ জেলার  একটি ক্ষুদ্র হিন্দু রাজ শক্তির উদ্ভব বা পত্তন ঘটে । এই রাজ্যের নাম চন্দ্রদ্বীপ বাকলা । ড: কানুনগোর মতানুসারে সোনার গায়ের দনুজ রায় মুসলিম বিজয়দীদের বিতবড়িত হওয়ার পর এই রাজ্য প্রতিসাটা করেন । কিন্তু এ মতের পক্ষে প্রমান পাওয়া যায়না । এই বংশের সামান্য যাহা ছিল , উন্মাদ রাজা শিব্রাইন পুড়িয়ে ফেলেন ।  তাই এ পরিবারের ঐতিয্য , স্তানীয় জনশুতি কিছু মুদ্রা এবং পরবর্তী কালের নথীপত্রে এর মাধ্যমে এই পরিবার সম্পর্কে কিছুটা ধরনা করা যায় । ইদিলপুরের ঘটক সম্প্রদায়ের দলিলপত্র অনুযায়ি এই পরিবারের প্রতিস্টাতা চিলেন দনুজ রায় কায়স্থ । স্থানীয় জনশ্রুতি এবং প্রাপ্ত নথিপত্রের উপর ভিত্তি করে চন্দ্রদ্বীপ পরিবারের বংশ বৃতান্ত তৈরি করা হয়েছে । দনুজ মর্দন রায়ের উত্তারাধিকারী ছিলেন  রামভল্লভ, হরিভল্লভ এবং কৃষ্ণ ভর্লভ। কৃষ্ণ বল্লভের কোন পুত্র সন্তান না থাকায় তার কন্যা কমলাদেবী উত্তারধীকারী হন। বলবর্ধন বসুর সঙ্গে কমলা দেবীর বিবাহ হয় । কমলা দেবীর প্রত্র শিবানন্দ ( পরমানন্দরায়) ছিরণ তাহার উত্তারাধীকারী  এবং চন্দ্রদ্বীপরে বসু পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ।  পরমানন্দের উত্তারাধীকারী ছিলেন জগদা নন্দ ,  কন্দর্প নারায়ন এবং রাম চন্দ্র । মেহেন্দিগঞ্জে এই পরিবারের লোকেরা প্রথমে বসতি স্তাপন করেন । এইচ. লকম্যানের মতানুযায়ী চন্দ্রদ্বীপ বাকলা প্রায় ১৪৮৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ছিল।মুসলিম সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলে(১৪১৩-১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে) এ রাজ্য মুসলিম সামাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। বস্তুত : মুঘলদের দ্বারা বঙ্গ বিজয়ের পর থেকেই চন্দ্রদ্বীপ বাকলার ইতিহাস আরম্ভ হয়েছে । আবুল ফজলাই প্রথম ঐতিহাসিক যিনি বাকলা সর্ম্পকিত কিছু ঘটনা উল্লেখ করেছেন। ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে স্টেটের রাজস্ব তালিকায় বাকলা একটি সরকার ছিল এবং বাকলা, শ্রীরামপুর , শাহবাজপুর ও ইদিলপুর এই চারটি পরগনা এর অন্তভক্ত ছিল।১৮০৬ খ্রিষ্টাব্দে গৌরনদী এবং মাদারীপুরের পুর্বাঞ্চল ঢাকা জেলা থেকে বাকেরগঞ্জের সঙ্গে সংযোজিত করা হয়। ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ইদিলপুর পরগনা ঢাকা জেলার একটি অংশ হিসাবে পরিগনিত ছিল। ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিন শাহবাজপুর মহকুমা ( ভোলা) এ জেলার আদীবাসিদের অনুরোধে নোয়াখালী জেলা থেকে নিয়ে বাকেরগঞ্জ এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই সংযোজনের ফলে যাতে এই জেলার আরো বিস্তৃত হয়, সে জন্য পালং ( বর্তমান সখিপুর/ ভেদরগঞ্জ ) তথা শরীয়তপুর ও উত্তরাঞ্চলের কোটালী পাড়া থানা এবং মাদারীপুর মহকুমা ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর জেলায় অন্তভুক্ত করা হয়।১৭৯৭ খ্রিষ্টাব্দে ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দের রেগুলেশন নম্বর ৯( পরবর্তীতে বাতিলকৃত) এর ৪০ নম্বর ধারা অনুসারে, বাকেরগঞ্জকে ঢকার কোর্ট অব সার্কিটের একটি ষ্টেশন হিসাব নিদিষ্ট করা হয়। ১৭৯৭ খ্রিস্টাব্দের রেগুলেশন নং ৭ অনুসারে কমিশনারের দফতর উঠে যায়। এর ফলে ১৭৯৭ খ্রিষ্টাব্দে উক্ত রেগুলেশন বলে মেজিস্টেট শাষিত বাকেরগঞ্জ একটি জেলা হিসাবে পরিগনিত হয়। ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে ২৬ শে সেপ্টেম্বর তারিখে বাকেরগঞ্জ জেলায় কালেক্টর এর একখানা চিঠিতে দেকা যায়যে জর্জ ও মেজিষ্টেটের শাষনাধীন এ জেলায় ১০টি সার্কেল থানা ছিল । ১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ডব্লিউ ডব্লিউ লহান্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েচেযে এ জেলায় গোড়ার দিকে ০৫টি মহকুমা ছিল । যথা ১।সদর ২। দক্ষিন শাহবাজপুর ৩। মাদারীপুর ৪। পিরোজপুর ও ৫। পটুয়াখালী । ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে জেলার সদর মহকুমা গঠন করা হয় । ১৮৭০-১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে সদর মহকুমার আটটি ম্যাজিষ্টেট ও রাজস্ব আদালত ছিল । সদর মহকুমার বরিশাল, নলছিটি, বাকেরগঞ্জ, ঝালকাঠি এবং মেহেন্দিগঞ্জ নামে পাচটি পুলিশি সার্কেল ছিল । মেহেন্দিগঞ্জ এর সার্কেল ছিল মুলত : ইদিলপুর , উত্তর শাহবাজপুর , শ্রীরামপুর তথা বাকলা বাদে বাকেরগঞ্জ জেলার অন্যতম চারটি পরগনার মুল তিনটি পরগনা সহ জাপুর, কাদিরাবাদ , মাইজদি, মুলাদী( জালালপুর ও জাহাপুর পরগনা ) থানার কিয়দংশের অন্তগত। ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দের জে.সি জাকের শিক্ষিত জেলা গেজেট বারের বিবরন অনুয়ায়ি ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে সদর মহকুমা সদর উত্তর সদর দক্ষিন নামে দুইটি মহকুমার বিভক্ত ছিল তখন থেকে ১। গৌরনদী , ২। বাবুগঞ্জ , ৩। উজিরপুর, ৪। মেহেন্দিগঞ্জ, ৫। মুলাদী ও ৬। হিজলা থানার উদ্ভব বা উৎপত্তি বা গোড়াপত্তনের প্রশাষনিক ইতিহাস উদঘাটন হয়। ১৯৬১ সন থেকে লোক গননায় সদর উত্তর মহকুমার আয়তন ও জনসংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৬৮১ বর্গমাইল , ৮,১০,৫৯১ জন। ১৯৭৪ সন গননায় আয়তন  ৫২২ বর্গমাইল ও জনসংখ্যা ৭,১৮,৭৭৯ জন, তাহার মানি এলাকা কেটেছে । ইতো পুর্বে মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেল থানায়  একটি মুনসেফ কোর্ট ছিল , পাতারহাটে একখানা রেজিষ্ট্রি অফিস ছিল । শ্রীরামপুর ছিল মেহেন্দিগঞ্জ থানার বহি: শ্টেষন (OUT POST OF POLICE). সেই শ্রীরামপুর আউট পোষ্ট কে থানায় রুপান্তর বা উন্নতি করা হয়  বদরটুনি থানা নামে এবং শ্রীরামপুর পরগনার এককালনি আউট পোষ্ট ছিল। অন্যান্য থানার মত  নদীর পাড়ে তথা গঙ্গা ও মেঘনার সঙ্গম স্থলে । ১৮৬৯ সন এই পরগনায় একটি বড় ধাক্কা সংগঠিত হয় । এখানে ৫২টি ষ্টেট ছিল সেখান থেকে সঙ্গমসই বদরটুনি থানা হিসাবে কার্যরত অবস্থায় জলদস্যুদের উৎপাত থেকে রক্ষার্থে হিজলা থানার এককালীন হিজলা ইউনিয়নে , বর্তমানে হিজলা -গৌরবদী দুইটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত একটি ইউনিয়নে স্থানান্তরিত হয়ে হিজলা থানা নামে অবিহিত হয়  ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দের পুর্বেই । মেহেন্দিগঞ্জ থানাকে ধুলখোলা ইডনিয়ন সহ বাবুগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল ও হিজলার প্রাচীনতম পি এন হাইস্কুল খ্যাত আলীগঞ্জে স্থান্ন্তরিত করার সিদান্ত বাস্তবায়ন  না হওয়ায় মেহেন্গিঞ্জ বিভক্ত হয়ে হিজলা থানার উদ্ভব ঘটে ,ইদলপুর মানে আদিল ন্যায় শ্রীরামপুর এবং ৩৬০ ঘর সম্ভ্রান্ত জমিদারদের আবাসস্থল । মোঘলদের দুর্দশ সেনাপতি শাহবাজখান , জিনিফিরিঙ্গি জলদস্যুদের দমন করতে নৌ-ঘাট স্থাপন পুর্বক শাহবাজপুর পরগনার পতান ঘটিয়ে ছিলেন । সেই শাহবাজপুর প্রাচীন গবিন্দপুর কালিগঞ্জ বন্দর, চাদরায় - কেদার রায়  এর প্রতিষ্টিত বাসুদেব মন্দির খ্যাত ।   পঞ্চম জর্জ এর স্বারক অনুদানে রায় স্থাপিত উত্তর শাহবাজপুর জর্জ ইন্সটিটিউশন খ্যাত গবিন্দপুর ১৯৯২ - ১৯৯৩ সনে পুনরায় মেহেন্দিগঞ্জ কোর্টে দেয়া হয়( যাহার প্রধান হোতা সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসেম ও সাবেক এম পি মোশাররফ হোসেন মংগু) খালিশপুর , চরকিল্লা , উমেদপুর, গঙ্গাপুর, মল্লিকপুর , সৈয়দখালী, ঐতিহাসিক চর বিশকাঠালী , গংগাপুর , হরিনাথপুর,( তহশীল) কাউরিয়া বন্দর , ( তহশীল) রামনগর , মাউলতলা , গুয়াবাড়িয়া , মহিষখোলা, চিড়াখোলা, ধুলখোলা , কানাইগঞ্জ , নরসিংহপুর এবং হিজলা শ্যামেরহাট, প্রফুল্লগঞ্জ , বাতুল্লাতলি, কালিগঞ্জ, শ্রীরামপুর , ষ্টিমারষ্টেশন ও থানা খ্যাত সমুদ্বয়  এলাকা নিয়ে ( যাহার উত্তরে শরিয়তপুর হাটুরিয়া , মেঘনা নদী এবং প্রাচীন ত্রিপুরা বর্তমানে কুমিল্লার অংশ চাদপুর , লক্ষীপুর , নোয়াখালীর লক্ষীপুর জেলা , পশ্চিমে মুলাদী ,দক্ষিনে মেহেন্দিগঞ্জ, পুর্বে-মেঘনা , দক্ষিনে শাহবাজপুর ( ভোলা) ও মেহেন্দিগঞ্জ থানা) । হিজলার উত্তর শাহবাজপুর এলাকা ছিল উৎকৃষ্ট সুপারীর জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে পাতারহাট হয়ে সুপারী চট্রগ্রাম বন্দর দিয়ে কলকাতা  ও রেঙ্গুনে যেত। জীবিকার দিক দিয়ে কৃষি ও গৃহস্থলি মৎস জীবিকার প্রাধান্য ছিল।যেমন থানা ওয়ারী , জেলে পাড়ার দিক দিয়ে হিজলা ছিল - ৩০ , মেহেন্দিগঞ্জ ছিল-২০ , নদীর দৈঘ্য মাইল ছিল হিজলা - ১৫, ছবিপুর - ১০ , নয়াভাঙ্গনী-১৫, জয়ন্তী - ১০ , মেঘনা- ৯৫, তেতুলিয়া- ৫০ বর্গমাইল । ১৯৬৯ সনে উৎপাদিত মোট চালের পরিমান ( হাজার মন) হিজলা যথাক্রমে আউশ - ২৩৭, আমন বপন করা বীজ থেকে ১০০০৫ রোপিত চারা থেকে - ৪৪৮ বোরো ও ইরি -০.১ অন্যদিকে যথাক্রমে ১৬৫৭৩.২, ৮১৩,২০,১৫৬ হাজার মন মোট সরবরাহ হিজলা - ৭৪৯ হাজার মন, প্রয়োজন - ৭৪১, বারতী বা উদ্বৃত্ত ছিল আট হাজার মন । অন্যদিকে মেহেন্দিগঞ্জে যথাক্রমে সরবরাহ - ৯৭২ , প্রয়োজন - ১০৮৬, ঘাটতি - ১১৪ হাজার মন। নৌ- যোগাযোগ ছিল ষ্টীমার সার্ভিস , বরিশাল - নারায়নগঞ্জ- ঢাকা সার্ভিস সপ্তাহে তিনদিন চলাচল করত । এই সার্ভিস চাদপুর এবং নারায়নগঞ্জ হয়ে বরিশালকে ঢাকার সাথে সংযুক্ত করেছিল । পথিমধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ষ্টেশনছিল-শ্রীরামপুর - বদরটুনি, হিজলা । নদীবহুল জেলার অধীন থানা হওয়ায় ণৌকাই ছিল যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম । বাহন ছিল এক মাইল , মাঝি, পাটের নৌকা, বাছার নাও, গোলের নাও, ডোংগা নৌকা , গয়না নৌকা, টাবইয়া নৌকা, কাথানী নৌকা, পানসী। ১৯১৮ সনে তেতুলিয়া নদীতে , শাহবাজপুর ফেরিসার্ভিস ছিল । হিজলায় কাহালিরহাট , বদরটুনী ডাকঘরের পর ওসমানমঞ্জিল প্রথম সাবপোষ্ট অফিস, হিজলায় পাবলিক কল অফিস যাহার মুল একচেঞ্জ বরিশাল ছিল ।হিজলায় তাতের  সংখ্যা - ১৪৬ ( ১৯৬৬-১৯৬৮), শ্রমিক সংখ্যা -৪৫৬, থানার প্রথম হাট বাজার ছিল হিজলা , যাহা বর্তমানে বড়জালিয়া ইউনিয়নের অধীন , চাল ,পাট, ডাল , সরিষার তৈল, মরিচ , নারিকেল এবং হোগলা পাতা প্রধান প্রধান পন্য । ১৯৭৬ সন পর্যন্ত একমাত্র ব্যাংক ছিল পুবালী ব্যাংক লিমিটেড। হিজলায় ভারপ্রাপ্ত এল এম এফ ডাক্তারএর অধীন হাসপাতাল ও ডিসপেনসারী খোলা হয় - ১৩/১০/১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে। এজি হাসপাতাল থেকে পল্লী ডিসপেনসারী পরিবর্তন শ্রীরামপুর জে:প:। ২৫/০৪/১৮৯৪ তারিখে এল এম এফ ডাক্তারের হিজলার প্রতিষ্টানিক চিকিৎসা শুরু। যাহা লতা দাতব্য চিকিৎসালয়ের চার বছর পর । পাতারহাটে ২৪/১২/১৯২০ সনে খুলেছে । রাজস্বের ক্ষেত্রে বাকেরগঞ্জ জেলা এলাকা তিনটি সরকার এলাকায় অন্তভুক্তি হয়, পশ্চিমাংশ খলীফার তার্বাজ , মধ্য অংশ বাকলা এবং পুবাংশ ফাতেহাবাদ সরকার অন্তভুক্ত।

 

ছবি